অধ্যায়-১

আউটসোর্সিং


ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই ডাটা প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের ফলে অর্থ উপার্জন পদ্ধতিকে বলা হয় আউটসোর্সিং। আউটসোর্সিং করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়।

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আউটসোর্সিংয়ের প্রভাব : বর্তমান বিশ্বায়নে পৃথিবীজুড়ে চলছে আউটসোর্সিংয়ের জোয়ার। আইসিটির উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে জন্ম নিয়েছে জ্ঞানভিত্তিক এ অর্থনীতির। জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে প্রয়োজন দেখা দিয়েছে বিপুল পরিমাণ ডাটা প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের; ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলো আইসিটি এনাবল্ড সার্ভিসেসকে কাজে লাগিয়ে অর্জন করছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন নয়, এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে দেশের বিপুলসংখ্যক প্রশিক্ষিত বেকার দক্ষ জনগোষ্ঠীর। আউটসোর্সিং করে যারা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে তাদের বলে ফ্রিল্যান্সার। এ কাজের জন্য প্রয়োজন কোনো কাজে ভালো জ্ঞান থাকা এবং ইন্টারনেট সংযোগযুক্ত একটি কম্পিউটার। আউটসোর্সিং কাজের জন্য অজস্র ওয়েবসাইট আছে। http://www.freelancer.com এ ধরনের একটি ওয়েবসাইট, এখানে নিবন্ধন করে বৈশ্বিক কর্মসংস্থান বাজারে নিজেকে যুক্ত করা যায়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তথা মাথাপিছু আয় বাড়াতে বিশ্বের কর্মসংস্থান বাজারে যুক্ত হওয়া ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।


ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কী কী করণীয়


উত্তর : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে প্রয়াস তাকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বলে। সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য মোচনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কী কী করণীয় :

আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই গ্রামে থাকে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রথম ধাপ হচ্ছে এই গ্রামীণ মানুষকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আওতায় আনা। আর তাই বিশাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির পুরোপুরি সুবিধা পেতে হলে নিম্নলিখিত দিকগুলোর প্রতি নজর দিতে হবে-

১. দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি।

২. স্কুল-কলেজের লেখাপড়ার মান উন্নত করা।

৩. বেশিসংখ্যক ছাত্রছাত্রীকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রতি দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।

৪. ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে সব কাজে স্বচ্ছতা গড়ে তুলতে হবে।

৫. নতুন প্রজন্মকে কাজে লাগাতে হবে।