সৈয়দ মাহবুব হাসান আমিরী

আইসিটি বিভাগ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

গবেষণা

গবেষকের নীতিমালা অনুসরণের বিবেচ্য দিক

গবেষক হিসেবে এই নৈতিকতার বিষয়সমূহ তার পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গি থেতে বিবেচনা করবেন। শাব্দিকভাবে নৈতিকতা আদর্শ মানব চরিত্রের চারিত্রিক গুণাবলীর সাথে সম্পর্কিত। তাই তাই গবেষককে অবশ্যই গবেষণা ক্ষেত্রে উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। কর্মসহায়ক গবেষণা সম্পাদনের সময়, একজন শিক্ষক যদিও গবেষক হিসাব পরিচিতি পাচ্ছেন তারপরেও তাকে নৈতিকভাবে অবশ্যই তার শিক্ষকতার পেশাগত নীতিমালা অনুসরণ করতে হয়।

নীতিমালার বিবেচ্য দিকসমূহ: নিম্নে কর্মসহায়ক গবেষণায় কিছু নৈতিক বিবেচনা উল্লেখ করা হল-

•গবেষণা সম্পর্কিত সকল ব্যক্তি, কমিটি এবং কর্তৃপক্ষের পরামর্শ নিতে হবে এবং গবেষণার নীতিসমূহ যেন সকলের নিকট অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গৃহিত হয়।

•সকলকেই এই কাজে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুপ্রাণিত করতে হবে।
•যারা অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক নয় তাদের প্রতিও গবেষককে শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

•সকলের পরামর্শের জন্য গবেষণা উন্নয়নের কাজ উন্মুক্ত এবং দর্শনযোগ্য রাখতে হবে।

•গবেষণায় অংশগ্রহণকারী সকলের সম্পৃক্ততাকে বাড়িয়ে তোলার জন্য গবেষক ও গবেষণা নমুনা প্রস্তুতকারী দলকে কাজ করতে হবে।

•সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে গবেষণা কর্মের বর্ণনা ও অন্যান্য তথ্য প্রকাশ করতে হবে।

•কোন উদ্দেশ্যে পর্যবেক্ষণ বা নথিপত্র নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় তবে পূর্বেই তার জন্য অনুমতি নিতে হবে।

•গবেষণায় অংশগ্রহণকারী সকলের নিকট সমান এবং একই তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

•সকল প্রকার গোপনীয়তা রক্ষায় গবেষককে দায়িত্ব নিতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়,গবেষণার সময়, গবেষক কর্তৃক তার পেশার কথা ভুলে গেলে চলবে না। পেশাজীবী হিসাবে দায়িত্বকে শুধুমাত্র উপার্জনের পন্থা হিসাবে বিবেচনা না করে দেশ ও জাতির প্রতি বিশেষ সেবা হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। তাই গবেষণায় গবেষকের নীতিমালা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

তথ্যসূত্রঃ
১. ডঃ শাহজাহান তপন – থিসিস ও আ্যাসাইনমেন্ট লিখন
২. আলিম আল আইয়ুব আহমেদ – শিক্ষায় গবেষণা পদ্ধতি
৩. আহসান হাবিব – কর্মসহায়ক গবেষণা
৪. মোঃ গোলাম ফারুক – কর্মসহায়ক গবেষণা
৫. জিনাত জামান – শিক্ষা গবেষণা ও কৌশল
৬. মলয় কুমার সাহা – কর্মসহায়ক গবেষণা
৭. বিভিন্ন জার্নাল ও ব্লগ